মোহাম্মদ আবুল কাশেমের শত কোটি টাকার দুর্নীতির!
বিএনপির মুখোশ পরে দুদকের নজর এড়ানোর ফন্দি
প্রতিবেদক ঢাকা : নিরব ঘাতক ! স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে! বতর্মানে বিএনপির মুখোশ পরে দুদকের নজর এড়ানোর ফন্দি ফিকির আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেটের সদস্যদের ।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল কাশেমের শত কোটি টাকার দুর্নীতির বিষয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ পত্র দিলেও বিএনপিপন্থি দাবী করে অভিযোগ পত্রটি মিথ্যা বলে মত প্রকাশ করেন। নিজেকে একজন প্রতিমন্ত্রীর ঘনিষ্ট ও তার নাম ব্যাবহার করে বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র দলের কমিটির নাম ব্যবহার করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ক্যান্টিন সহ সকল বিষয়ে অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে চলছেন। এমনকি তার সহকর্মী ব্যক্তিগত কর্মকর্তা সোহাগকে পোস্টিং প্রদানের জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলের দিয়ে তদবিরের কারণে বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিশনে পোস্টিং বাতিল করা হয়েছে । অথচ এই দুজনই আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে চাকরী প্রাপ্ত হয়ে তখনকার ফ্যাসিষ্ট সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর মাধ্যমে তদবীর করে আবুল কাশেম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সৌদি আরবের রিয়াদ দূতাবাসে ও সোহাগ হোসেন, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, দুবাইয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে পোষ্টিং নেন এবং দাপটের সাথে চাকরী করে দূর্নীতি করেন। এখন বিএনপি দাবি করে আবার বিদেশস্থ মিশনে পোষ্টিং নেওয়ার জন্য বিভিন্ন লেভেল থেকে তদবির করে বেরাচ্ছে।
এদিকে জানাযায়,বাংলাদেশ দূতাবাস রিয়াদে কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সাবেক সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত) বর্তমানে রাজনৈতিক অনুবিভাগে কর্মরত জনাব আবুল কাশেমের দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রসঙ্গে।
জনাব আবুল কাশেম পাসপোর্ট ও ভিসা উইং এ যোগদানের পর থেকে দুর্নীতি ও অনিয়মে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। তার দুর্নীতির কিছু তথ্য প্রমানাদিসহ (ইআইডি/ পাসপোর্ট রিসিট নম্বর) সংযুক্ত করিলাম। কোন তদন্ত হয়নি। ०८.२०উজরিত ফাইলগুলো রাজস্ব ফাতি দিয়ে অথ্যাৎ টাকা ছাড়া আবেদনপত্র জমাসহ পাসপোর্ট ডেলিভারি হয়েছে। অথচ যোগদানের শুরুতে আবুল কাশেম লোকাল স্টাফদের আইডি দিয়ে গড়ে ৪০ থেকে ৫০ টি পাসপোর্ট (এক দিনের কিছু টাকা ছাড়া পাসপোর্ট। SAU100000588800, 588801, 588805, 588807, 594177, 954178, 594179, 588798, 595977, 592672, 592673, 592671, 592670, 595300, 596289,
596297, 596299, 590152, 590154, 590148) করত রাজস্ব ফাকি দিয়ে। জ্যানে অন্য নামের একটি ভুয়া রিসিট করা হত। সকল লোকাল স্টাফদের আইডির পাসওয়ার্ড আবুল হোসেনের কাছে থাকত। সপ্তাহ শেষে রিয়াল ভাগাভাগি করতেন সিন্ডিকেটের ভিতর। কাশেম তার নিজের আইডি দিয়ে নিম্নলিখিত প্রায় ৫০০ পাসপোর্ট ৩মাসে করেন রাজস্ব ফাকি দিয়ে (মে/২০১৯, জুন/২০১৯ ও জুলাই/২০১৯)। ৩মাসের রাজস্ব ফাকির বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায় এবং হাস্যকর বিষয় হল তখন অফিসার আইডি ধার দিয়েছেন এমন একটা চিঠি ব্যাক ডেটে নিজ স্বাক্ষরিত গোপনে বের করে প্রশাসনকে গোজামিল দেন। উল্লেখ্য উক্ত বিষয়ে কোন তদন্ত হয়নি, এমনকি কাউকে কোন সোকোজ পর্যন্ত করেননি।
মে, জুন এবং জুলাই/২০১৯ তিন মাসে রাজস্ব ফাকি দিয়ে নিম্নলিখিত পাসপোর্ট গুলো করেন:
022/12/202 SAU100000656585, ,656385,667585,665277,
673682,670180,656583,656383,667576,665266,673673,
670177,656579,656380,667558,665181,673662,670162,
656578,656377,667546,665172, 673647,670157,656573,
656374,667537,665160,673637,670154,656568,656372,
667534,665137, 673628,670145,656565,656369,667524,
665103,673618,670137,656538,656367,667513,665078,
673611,670134,656536,656364,667499,665058,673579,
670130,656523,656359,667292,665051,673569,670124,
656512,656355,667285,665040,673510,670117,656507,
656352,667281,665032,673498,670112,656501,656348, 667266,655024,673484,670105,656499,656346,667254,
665008, 673091,670102,656494,656344,667249,664702,
673087,670096,656491,656341,667240,664695,673082,
670050,656-189,656338, 667230,664659, 673069, 670030,
656486,656335,667012,664613, 673065,669984,656483,
656329,666996,664581,673056, 609966,656482,656328,
666927,664567,673048,667957,656480,656478,656321,
666925,664525,673035,669934,656477,656318,666924,66439,
673030,669923,656467,656317,666923,664317,673016, 69914,656464,656315,666922,664300,673007,669791,656462,65634,666920,664289,673001,669631,656461,656312,666878,66427,672994,669621,656459,656311,666873,664265,672983,
669615,656456,656308,666866,664252,672977,669610,65645,
656306,666861,664244,672973,669602,656451,656304,666856,664234,,672970,669587,656448,656302,666855,664192, 672960, 669580,656444,656300, 664183, 666853, 672951, 669576,656440,656298,666848,663950,671800, 669568, 656436, 656288,666845,663911,671799,669560,656432,
656286,666832,663883,671797,669545,656427,656284,
666825,663874,671795,669520,656423,656280,666759,
663866,672792,669517,656420,656279,666748,663863, 671789, 669510,656416, 656267,666720,663836,671782,
669265,656414,656262,666715,663734,671777, 669264, 656411,656258,666690,663731,671765,669263,656409,
656254,666673,663726,671761,669262,656405,656251,666667, 663722,671757,669261,656402,656249,666654,663720,
671750,669260,656398,656247,666637,663635,671739,
669259,656395,656244,666625,663603,670208,669258,
656393,656240,666617,663588,670203,669257,656389, 656238,666609,663581,670194,669256,656387,656234, 665289,663569,670183,669255,681656,681471,681419,
681077, 680757, 679662, 681647,681444, 681416, 680842 ,
680754,681633,681441,681412,680830,680746,681634 ,
681433,681408,680821,680736,681626,681428,681401,
680797,680062, 681476, 681423, 681395,680765 ,679901
অন্য দিকে জানাযায়,উক্ত ফাইলগলো নিম্নলিখিত ধাপে সম্পন্ন হয়েছে।
১ম ধাপ এনরোলমেন্ট বাই এও আবুল কাশেম
২য় ধাপ ডকুমেন্ট স্ক্যানিং বাই এও আবুল কাশেম
৩য় ধাপ পেমেন্ট এ্যাপ্রোভাল বাই এও আবুল কাশেম
৪র্থ ধাপ ফাইনাল এ্যাপ্রোভাল বাই অফিসার এও আবুল কাশেম (অফিসারের সাথে দহরম-মহরম থাকায় অফিসারের এ্যাপ্রোভাল আইডি কাশেমের কাছে দেয়া ছিল।
৫ম ধাপ জব কম্পিলিট / ডেলিভারি এও কাশেম নিজে এবং লোকাল স্টাফদের দিয়া সম্পন্ন করিয়াছে।
উল্লেখ্য যে, অফিসারের সাথে এও কাশেমের এতটাই দহরম মহরম যার কারনে কেউ ফোন বিষয়ে মুখ খুলতে পারত না।
অফিসাঘের সাথে দহরম-মহরম থাকায় অফিসারের কাছ থেকে ওথেন্টিপাস নিয়ে ২০১৭-২০১৮ কেেয়কটি ভুয়া ইআইডি খোলেন অর্থ্যাৎ উক্ত নামে কেউ দূতাবাসে চাকুরি করে না। উক্ত ফেক আইডি দিয়ে তিনি রোহিঙ্গাদের অথ্যাৎ মায়ানমার নাগরিকদের পাসপোট দেন। ২০১৭-২০১৮ সালে তিনি প্রায় ১০ হাজার রোহিঙ্গা কে বাংলাদেশী পাসপোর্ট দেন। এমন একটি আইডি saifur নামে খুলে রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশী পাসপোর্ট দেন। বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য প্রধান পাসপোর্ট অফিসে খোজ নিবেন এই আইডি কতগুলো পাসপোর্ট হয়েছে এবং সফটওয়ারের মাধ্যমে ১ মিনিটে বের করতে পারবে এবং দূতাবাসে খোজ নেন saifur নামে দূতাবাসে কেউ এই উইং ছিল কি না। প্লিজ যাচাই করুন।
এছাড়া জনাব আবুল কাশেম অফিসারের নামের সিল, পাসপোর্ট নবায়নের সিল এবং ভিসার ছিল নিজের কাছে বাসায় এক সেট রেখে দিতেন এসব দিয়ে তিনি জাল পাসপোর্ট নবায়ন এবং আউট পাস দিতেন। হাতে লেখা পাসপোর্ট ডিস্ট্রিয় প্রোগ্রামের সময় তিনি দালালদের কাছে ৫০০ সাদা পাসপোর্ট এক লক্ষ রিয়াল বিক্রি করেন।
জনাব আবুল কাশেমের অবৈধ উপায়ে নামে-বেনামে শত কোটি টাকা/ সম্পদ ওর্জনে,
MD NAFIS, CONSULAR ASST.
PASSPORT & VISA WING, BANGLADESH EMBASSY, RIYADH, K.S.A
এই ব্যপারে ইই,ও নোট নং-৫৮,০০,০০০০,০১২,০১,০৪৮.১৭.৭১ ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬ এর মাধ্যমে প্রশাসন শাখাকে অবহিত করা হয়।
বিষয়। জনাব আবুল কাশেম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সুরক্ষা সেবা বিভাগ এর বিরুদ্ধে প্রার যাচাইকরণ।
উপর্যুক্ত বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, জনাব আবুল কাশেম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সুরখা সেবা বিভাগ এর বিরুতে পাসপোর্ট ও ভিসা উইং, রিয়াদ, সৌদি আরবে কর্মরত থাকাকালীন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া দিয়েছে (কপি সংযুক্ত)। উক্ত অভিযোগে বর্ণিত ঘটনা, স্থান ও সময় পাসপোর্ট ও ভিসা উইং, রিয়াদ, সৌদি আরব হওয়ার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে এ বিভাগের প্রশাসন-১ শাখাকে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
কিন্ত এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় নাই। পরবর্তীতে স্মারক নম্বর: ৫৮,০০,০০০০,০১৬.৩২.০০১.১৮.৩৬ তারিখ: ১১ বৈশাখ ১৪২৯ , ২৪ এপ্রিল ২০২২
বিষয়: প্রতিবেদন প্রদান সংক্রান্ত।
সুরক্ষা সেবা বিভাগ, প্রশাসন-১ শাখার ইউ, ও.নোট নং- ৫৮,০০,০০০০.০১২, ০১.০৪৮.১৭.৭১; তারিখ: ১০ মার্চ ২০২২ তারিখে এম ডি শামসুল আরিফান,সহকারী সচিব (পরিচিতি নং ১৭৯৫০) ,প্রথম সচিব, পাসপোর্ট ও ভিসা উইং, রিয়াদ, সৌদি আরব বাংলাদেশ দূতাবাস বরাবরে পত্র দেওয়া হয় কিন্ত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় নাই। পত্র টি হল বাংলাদেশ দূতাবাস, রিয়াদ, সৌদি আরবের প্রাক্তন প্রশাসনিক কর্মকর্তা জনাব আবুল কাশেম এর বিরুদ্ধে প্রাপ্ত অভিযোগের বিষয়ে তদন্তপূর্বক সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন এ বিভাগে প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
একই সাথে অভিযোগকারী পূর্বে বাংলাদেশ দূতাবাস, রিয়াদে কর্মরত ছিলেন কি না, তাঁর কর্মকালীন সময়ে কোন অভিযোগ ছিলো কি না, তাঁর পাসপোর্ট সম্পর্কিত তথ্যাদি, ইত্যাদি প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করার জন্যও নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়। পরবর্তীতে তারিখ: ১৩ ভাদ্র ১৪২৯ স্মারক নম্বর: ৫৮,০০,০০০০,০১৬,৩২,০০১,১৮.৮৬ ২৮ আগস্ট ২০২২ তারিখ প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য পত্র দেওয়া হয়।
বিষয়: প্রতিবেদন প্রদান সংক্রান্ত।
সূত্র: ১। সুরক্ষা সেবা বিভাগ, মিশন শাখার স্মারক নং- ৫৮,০০,০০০০,০১৬,৩২.০০১.১৮.৩৬; তারিখ: ২৪ এপ্রিল
২। সুরক্ষা সেবা বিভাগ, প্রশাসন-১ শাখার ইউ, ও, নোট নং- ৫৮.০০,০০০০,০১২, ০১.০৪৮.১৭.৭১; তারিখ: ১০ মার্চ ২০২২
সূত্রস্থ ১নং স্মারকে বাংলাদেশ দুতাবাস, রিয়াদ, সৌদি আরবের প্রাক্তন প্রশাসনিক কর্মকর্তা জনাব আবুল কাশেম এর বিরুদ্ধে প্রাপ্ত অভিযোগের বিষয়ে তদন্তপূর্বক সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন এবং একই সাথে অভিযোগকারী পূর্বে বাংলাদেশ দূতাবাস, রিয়াদে কর্মরত ছিলেন কি না, তাঁর কর্মকালীন সময়ে কোন অভিযোগ ছিলো কি না, তাঁর পাসপোর্ট সম্পর্কিত তথ্যাদি, ইত্যাদি প্রতিবেদন এ বিভাগে প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হলেও অদ্যাবধি কোন তথ্যাদি পাওয়া যায়নি।
এমতাবস্থায়, জরুরীভিত্তিতে উক্ত অভিযোগের বিষয়ে সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন এ বিভাগে প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে পুনরায় অনুরোধ করা হয়। ২৮-৮-২০২২ হাফিজুল হক,সহকারী সচিব রিয়াদ দূতাবাসে পত্র দেন। প্রথম সচিব, পাসপোর্ট ও ভিসা উইং, বাংলাদেশ দূতাবাস,রিয়াদ, সৌদি আরব যার নং-স্মারক নম্বর: ৫৮,০০,০০০০,০১৬,৩২.০০১.১৮.৮৬/১(২) কিন্ত কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় নাই।
উল্লেখ্য মিশন থেকে ফেরত আসার পর বহিরাগতন-১ শাখায় কর্মরত থাকা অবস্থায় রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিষয়ে সে অবৈধভাবে টাকা আদায় করেছে। এ বিষয় নিয়ে একজন অতিরিক্ত সচিব ও একজন যুগ্ম সচিবের সাথে তাদের বাকবিতন্ড হয়েছিল বলেও জানা যায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের মাধ্যমে জানা যায় এই দুইজন প্রশাসনে বিভিন্ন ধরনের অবৈধ চাপ প্রয়োগ করে তাদের কুকর্ম ঢাকার চেষ্টা করছে ও নীরীহ লোকদের ক্ষতি করার কাজে লিপ্ত আছে। তারা এখন আওয়ামীপন্থী কর্মচারীদে সাথে নিয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে যা সকলের মুখে মূখে বেড়াচ্ছে। তাদের এহেন কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের উচ্চ মহলের প্রতি দাবি করেছেন।
তার নিজ এলাকায় একাধিক ব্যক্তি নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, আওয়ামী লীগের সময় সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। আওয়ামী লীগের রাজনীত সাথে জড়িত ছিলেন তার পরিবার।
তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ সেটা সত্য। তিনি নামে বেনামে সম্পদ গড়েছেন।বিদেশেও তার সম্পদ রয়েছে। একথা গুলো তাদের নিজ এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে জানাযায়। আওয়ামী লীগে বড় নেতাদের সাথে বতর্মানে ও কথা হয় বলেন জানান তারা।
নাম না প্রকাশ করার সত্ত্বে একজন কর্মকর্তা বলেন,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, সোহাগ হোসেন ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাশেম আসার সাথে সাথে যারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন তারা সবাই ভালো স্থানে বদলি হয়েছেন টাকার বিনিময়ে তদবিরের মাধ্যমে ।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা, সোহাগ হোসেনের মুটো ফোনে বার বার কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাশেমের মুটোফোনে কল দিয়েও তার মতামত পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড.ইফতেখারুজ্জামান বলেন,
সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের বসে তারা সেখানে বসেই অবৈধভাবে অর্থ নিচ্ছে রক্ষক যখন বক্ষকের ভুমিকায় ।অবৈধভাবে টাকা উত্তোলন এটি কোন ছোট্ট অপরাধ নয়।দুর্নীতি কখনো ছোট বড় নয় দুর্নীতি তো দুর্নীতিই সেটি যেমনই হোক। ছোট বড় দুর্নীতিতো দুর্নীতিই জন্ম দেয়। দুদক আগের চেয়ে ভালো কাজ করছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। দুদকের দুর্নীতির বিষয়ে আর বিশদ অনুসন্ধান প্রয়োজন। কেননা যে তুলনায় দুর্নীতির অভিযোগ আসে সেই তুলনায় দুদক অনুসন্ধান করতে পারে না। যদি সকল দুর্নীতি দুদক অনুসন্ধান করতে পারতো তাহলে দুর্নীতি অনেকাংশে কমে আসত। তবে আমরা আশাবাদী দুর্নীতিবাজদের শিকড় উপড়ে ফেলা সম্ভব সেটি একদিন হবেই।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক কর্মকর্তা
বলেন,আমরা অনেক দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছি। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বসে দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পরেছেন কিছু বড় কর্মকর্তা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা,সোহাগ হোসেন ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা কাশেমের বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে দেখতে হবে।দুর্নীতির সাথে জড়িত
থাকার সম্ভাবনা রয়েছে কি না ।অভিযোগ পেলে সেটা তদন্তের মাধ্যমে আইন আনুগব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। যারাই অপরাধ করুক না কেন আমাদের অনুসন্ধানে যদি কোনোভাবে প্রমাণিত হয়।তবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব এবং প্রয়োজনীয় যত ব্যবস্থা আছে তা নেব। কোনো দুর্নীতিবাজকে ছাড় দেওয়া হবে না।