এই ধাক্কা মানুষের চোখ খুলে দিয়েছে…
ডিসি সারওয়ার আলমকে হয়তো চলে যেতে হবে । সরকারি নির্দেশনা তাঁকে মানতে হবে । এটাই বাস্তবতা । তবে বিদায় নেওয়ার আগে তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করে গেলেন । মাজারের ৭শ বছরের ইতিহাসে কেউ কি কোনো দিন আয়-ব্যয়ের হিসাব চাইতে পেরেছিলো? আয়-ব্যয়ের হিসাব চাওয়া যায়- এটা ভাবতে পেরেছিলো?
নাহ, মানুষের কাছে এটা পরিস্কার ছিলোনা-মাজারের টাকা কোথায় যায়? কে খায়? এ নিয়ে মানুষের তেমন মাথা ব্যথাও ছিলোনা।
কিন্তু তিনি দেখিয়ে দিয়ে গেলেন কারা মান্নতের টাকা খাচ্ছে? খাদেমগোষ্ঠির নেতারা প্রকাশ্যে বেরিয়ে এসে মিডিয়ায় বক্তব্য দিলেন । মানুষ তাদের চিনতে পারলো । এই ধাক্কায় মানুষের মধ্যে সচেতনতা আসবে । মানুষ বুঝে-শুনে মাজারে দান করতে শিখবে ।
মিডিয়া যেভাবে সোচ্চার ভুমিকা পালন করছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে যেভাবে সচেতনতা তৈরি হচ্ছে- খুব বেশি দেরি নয়, একসময় মাজারের হিসাব নিকাশে জবাবদিহিতা আসতেই হবে।
তবে মজার বিষয় হলো, ডিসি সারওয়ার আলমের এই ধাক্কার আঁচড় লেগেছে সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা শতশত মাজারে । এখন চতুর্দিকেই মাজারের টাকার হিসাব নিকাশের দাবী ওঠছে। বিশেষ প্রতিনিধি মৃধা আজাদ বরিশাল